অ্যাডোব সফটওয়্যার সম্পর্কে সবাই জানেন। এর বিকল্পও তৈরি হয়েছে। এমনই একটি বিকল্পের নাম ফিগমা। এর উদ্যোক্তার নাম ডিলন ফিল্ড। উদ্যোক্তা হতে ব্রাউন ইউনিভার্সিটির পড়াশোনা ছেড়েছেন তিনি। থায়েল ফেলোশিপ নিয়ে এখন অ্যাডোবকে টক্কর দেওয়ার লড়াইয়ে নামছেন ২৪ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা।
চার বছর আগের কথা। ডিলন ফিল্ড উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছাপূরণে ইউনিভার্সিটির পড়াশোনা ছেড়ে দিলেন। সদস্য হিসেবে পেলেন থায়েল ফেলোশিপ। কোটিপতি প্রযুক্তি বিনোয়োগকারী পিটার থায়েল উদ্যোক্তাদের জন্য এই ফেলোশিপ চালু করেন। থায়েল মনে করেন, কলেজের পেছনে যে পরিমাণ খরচ হয়, তার তুলনায় লাভ কম। তাই স্মার্ট তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহ দেন তিনি। এ লক্ষ্যে থায়েল ফেলোশিপ চালু করেছেন তিনি। তরুণ উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের বৃত্তি ও দুই বছরের সমর্থন পান। এ বৃত্তি পেতে গেলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী হিসেবে দুই বছর পার করতে হয়।
২০১২ সালে ফিল্ডসহ ২০ জন তরুণ উদ্যোক্তা প্রত্যেকে এক লাখ ডলার করে বৃত্তি পান। প্রচলিত পড়াশোনা থেকে দূরে সরে শুরু করেন তাঁর স্বপ্নের সাধনা।
ফিল্ড জানতেন লক্ষ্য ভালো করে বুঝতেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল অ্যাডোবকে টেক্কা দেওয়া। তিন বছর ধরে তিনি ‘সফটওয়্যার ইন্টারফেস ডিজাইন টুল’ হিসেবে পরিচিত ফিগমা তৈরির কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি এই টুল বা সফটওয়্যারটি ডেস্কটপ ও মোবাইলে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেছেন তিনি।
চার বছর আগের কথা। ডিলন ফিল্ড উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছাপূরণে ইউনিভার্সিটির পড়াশোনা ছেড়ে দিলেন। সদস্য হিসেবে পেলেন থায়েল ফেলোশিপ। কোটিপতি প্রযুক্তি বিনোয়োগকারী পিটার থায়েল উদ্যোক্তাদের জন্য এই ফেলোশিপ চালু করেন। থায়েল মনে করেন, কলেজের পেছনে যে পরিমাণ খরচ হয়, তার তুলনায় লাভ কম। তাই স্মার্ট তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহ দেন তিনি। এ লক্ষ্যে থায়েল ফেলোশিপ চালু করেছেন তিনি। তরুণ উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের বৃত্তি ও দুই বছরের সমর্থন পান। এ বৃত্তি পেতে গেলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী হিসেবে দুই বছর পার করতে হয়।
২০১২ সালে ফিল্ডসহ ২০ জন তরুণ উদ্যোক্তা প্রত্যেকে এক লাখ ডলার করে বৃত্তি পান। প্রচলিত পড়াশোনা থেকে দূরে সরে শুরু করেন তাঁর স্বপ্নের সাধনা।
ফিল্ড জানতেন লক্ষ্য ভালো করে বুঝতেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল অ্যাডোবকে টেক্কা দেওয়া। তিন বছর ধরে তিনি ‘সফটওয়্যার ইন্টারফেস ডিজাইন টুল’ হিসেবে পরিচিত ফিগমা তৈরির কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি এই টুল বা সফটওয়্যারটি ডেস্কটপ ও মোবাইলে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেছেন তিনি।
৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি ব্যবসা করে দীর্ঘদিন ধরেই ডিজাইন মার্কেটে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছে অ্যাডোব। অ্যাডোব ইলাস্ট্রেটর সফটওয়্যারটি ডিজাইন টুল হিসেবে বহুল ব্যবহৃত। কিন্তু ফিল্ড ও তাঁর সহপ্রতিষ্ঠাতা ওয়ালেসের মতে, অ্যাডোবে উদ্ভাবন অংশটি খুব সীমিত। বর্তমানে গুগল ডকস, অফিস ৩৬৫ ও কুইপের মতো সেবাগুলোর কারণে ওয়ার্ড প্রসেসিং ও স্প্রেডশিট তৈরির কাজটি ক্লাউডে চলে গেছে। কিন্তু ইলাস্ট্রেটর এখনো আগের জায়গায় রয়ে গেছে। যাঁরা ডিজাইনের কাজ করেন, তাঁদের কাজ সংরক্ষণ ও শেয়ারের জন্য ড্রপবক্স কিংবা বক্সের সাহায্য নিতে হয়।
ইয়াহু ফাইন্যান্সকে ফিল্ড বলেন, ‘আমাদের কাজে পরিবর্তন এসেছে কিন্তু নকশাবিদেরা এখনো সে পরিবর্তন দেখতে পাননি। টুলস এখন অফলাইনে ব্যবহার করতে হয়। এ ক্ষেত্রে আরও উদ্ভাবনী পরিচয় দেওয়া সম্ভব।’
ফিগমাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছেন গ্রেলক পাটনার্স, লিংকডইনের প্রধান নির্বাহী জেফ ওয়েনার ও হোয়াইট হাউসের প্রধান ডেটা সায়েন্টিস্ট ডিজে পাতিল।
ফিগমাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছেন গ্রেলক পাটনার্স, লিংকডইনের প্রধান নির্বাহী জেফ ওয়েনার ও হোয়াইট হাউসের প্রধান ডেটা সায়েন্টিস্ট ডিজে পাতিল।
এখন পর্যন্ত ফিগমা ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইনডেক্স ভেঞ্চার্সের ড্যানি রিমার বলেন, ‘অ্যাডোবের সঙ্গে লাগতে যাচ্ছে ফিগমা। এতে নকশাসংক্রান্ত কাজের আরও উন্নত
সুযোগ থাকবে।’
সানফ্রান্সিসকো ভিত্তিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ফিগমাতে বর্তমাতে ২০ জন কর্মী কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, ডেস্কটপ ও ওয়েব ব্রাউজার অ্যাপের মধ্যে একটি ইউজার ইন্টারফেসে সহজে কাজ করার সুযোগ থাকবে। ফিগার গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের নাম মাল্টিপ্লেয়ার। এতে একাধিক ডিজাইনার একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন।
ফিল্ড ও ওয়ালেস ফিগমা তিন মাসের জন্য বিনা মূল্যে পরীক্ষামূলক হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেবেন। এ ছাড়া ডিজাইন শিক্ষার্থীরা এটি বিনা মূল্যে পাবেন। অ্যাডোব ইলাস্ট্রেটর ব্যবহারকারীদের তাঁরা ফিগমাতে টেনে নিতে চান। এই সফটওয়্যারটি অর্থের বিনিময়ে মাসিক বা বার্ষিক সেবা হিসেবে কেনা যাবে।

No comments:
Post a Comment